Showing posts with label লাইফ স্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফ স্টাইল. Show all posts

Friday, October 20, 2017

চায়ে চুমুক দেওয়ার আগে জানুন

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে শুরু চা পান। এরপরে সারাদিন একাধিকবার অনেকেই চা পান করেন। চা পান করা শরীরের পক্ষে উপকারী না ক্ষতিকারক, তা নিয়ে অনেক ব্যাখ্যা আছে। একটি সর্বভারতীয় হিন্দি দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একটি বেসরকারি হাসপাতালের ডায়েটিশিয়ান রেখা চন্দ্রাকর জানিয়েছেন, চা পান করার সময়ে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা অবশ্যই প্রয়োজন। তা হলেই চা পানের উপকারিতা পাওয়া যাবে। চায়ের পুষ্টিগুণগুলি শরীরে যাবে। আর চা পানের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে।




• চায়ের পাতা, দুধ এবং চিনি একসঙ্গে ফুটিয়ে চা বানাবেন না। প্রথমে জল ফোটান, তার পরে চা পাতা মেশান। সবার শেষে দুধ মেশান।

• চায়ের জল একবার ফোটালেই যথেষ্ট। তিন মিনিটের বেশি চা ফোটালে জলের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। চায়ের স্বাদও খারাপ হয়।

• সবসময়ে ফুটন্ত জলেই চা পাতা ঢালুন। এর ফলে চায়ের রং এবং ফ্লেভার, দুই সঠিক থাকবে।

• বানানোর পরে আধ ঘণ্টা হয়ে গেলে আর সেই চা পান করবেন না। এর থেকে বদহজম হতে পারে।

• একবার যে চা পাতা ব্যবহার করে চা বানানো হয়েছে, তা দিয়ে আর চা বানাবেন না। এতে পেটের সমস্যা হতে পারে।

• খাওয়ার পরে চা পান করবেন না। চায়ের মধ্যে ফেনোলিক কম্পাউন্ড থাকে। এই যৌগটি শরীরের আয়রন গ্রহণক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে, অ্যানিমিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।



• ওষুধ খাওয়ার পর পরই চা পান করবেন না। চায়ের মধ্যে থাকা ট্যানিন ওষুধের কার্যকারিতা হ্রাস করে।

• সকালে খালি পেটে চা পান করলে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। তাই কিছু খেয়ে তার পরেই চায়ে চুমুক দিন।

Read More »

Tuesday, October 10, 2017

ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে যেসব খাবার

একবার যারা ধূমপানে আসক্ত হয়েছেন, তারা অনেকেই  এই বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে চাইলেই পারেন না। আপনি যদি ধূমপায়ী হোন তবে নিম্নোক্ত  খাবারগুরো খেলে ধূমপান আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে পারেন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেশ কিছু প্রকৃতিক উপাদান ধূমপানের কুঅভ্যাস ছাড়াতে দারুন কাজে আসে। যেমন ধরুন…

১. আদা
সিগারেট ছাড়ার পর প্রথম যে লক্ষণটা দেখা দেয়, তা হল মাথা ঘোরা। এই ধরনের লক্ষণের প্রকোপ কমাতে আদা দারুন কাজে আসে। শুধু তাই নয়, সিগারেটের কারণে শরীরের অন্দরে যে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, তা সারাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এবার থেকে যখনই সিগারেট খেতে ইচ্ছা করবে এক টুকরো আদা মুখে ফেলে দেবেন। দেখবেন ফল মিলবে।

২. ওটস
ধূমপান ছাড়াতে ওটসের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে ১ চামচ ওটসের সঙ্গে ২ কাপ গরম পানি মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে আরেকবার পানিটা ফুটিয়ে নিয়ে ব্রেকফাস্টের পর পান করতে হবে। এমনটা প্রতিদিন করলে শরীরে উপস্থিত নিকোটিন এবং বাকি সব টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাও কমবে।

৩. পানি
এক্ষেত্রে পানি ব্যাপক উপকারে লাগে। তাই তো সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা জাগলেই পানি পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এমনটা করলে ধূমপানের ইচ্ছা যেমন কমে, তেমনি শরীরে উপস্থিত নিকোটিন বাইরে বেরিয়ে যাবে। ফলে নানাবিধ মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। কমে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও।



৪. গোলমরিচ
এক গ্লাস পানিতে অল্প করে গোলমরিচ মিশিয়ে সেই পানি পান করলে ধূমপানের ইচ্ছা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ফুসফুসও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, পানিতে গুলে যদি গোলমরিচ খেতে ইচ্ছা না করে, তাহলে খাবারে দিয়েও খেতে পারেন। একই উপকার মিলবে।

৫. মুলো
যে যে প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ধূমপান ছাড়াতে দারুন কাজে আসে, তার মধ্যে অন্যতম হল মুলো। একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত মুলোর রসে অল্প করে মধু মিশিয়ে পান করলে স্মোকিং-এর ইচ্ছা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীরও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, দিনে কম করে ২ বার এই পানীয়টি গ্রহণ করতে হবে। তবেই উপকার মিলবে।

৬. আঙুরের রস
এই ফলটিতে উপস্থিত অ্যাসিডিক এলিমেন্ট শরীর থেকে নিকোটিনকে বের করে দেয়। ফলে ধূমপানের ইচ্ছা কমতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। তাই তো যারা ধূমপান ছাড়তে চান, তাদের প্রতিদিন এক গ্লাস করে আঙুরের রস খাওয়ার পরামর্শ দেন ভারতীয় আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা।



৭. মধু
ধূমপান ছাড়ার পর যে যে লক্ষণগুলি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে, তা কমাতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। আসলে মধুতে উপস্থিত নানাবিধ ভিটামিন, এনজাইম এবং প্রোটিন এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Read More »

Tuesday, August 15, 2017

আপনার স্বপ্নভঙ্গ করছে যে ৫ বদভ্যাস

১. গড়িমসি করা জীবনে কী হতে চান? শিল্পী, নাকি খেলোয়াড়? অনেকে এ সিদ্ধান্ত নিতে বছরের পর বছর পার করেন। আবার বেছে নিলেও করণীয় নির্ধারণে গড়িমসি করেন। কিন্তু এ ধরনের স্বভাব থাকলে আপনি কোনো দিনই সফল হতে পারবেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, গন্তব্যের দিকে চোখ মেলে না তাকানো খুবই মারাত্মক।
২. দোষ চাপানো আপনার ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না। এটা কর্মীদের দোষ, তা নিশ্চিত নয়। কিন্তু আপনি বরাবরই তাদের দোষ খুঁজে বেড়ান। এমন স্বভাব থাকলে আপনি কখনোই প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন না। ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধেও নিতে হবে। অন্যের কাঁধে দোষ চাপানো বড় রকমের বদভ্যাস।


৩. পরচর্চা উর্বর মস্তিষ্ক নতুন নতুন ধারণা নিয়ে আলোচনা করে। গড়সংখ্যক মস্তিষ্ক চলমান ঘটনা নিয়ে কথা বলতেই ব্যস্ত থাকে। আর সংকীর্ণ মানসিকতা অন্য মানুষকে নিয়ে সমালোচনায় মুখর থাকে। কাজেই অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে প্রাণশক্তি খরচ করবেন না। বরং নিজের জীবনের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণের চেষ্টা করুন।
৪. অজুহাত তৈরি করা জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজের একটি হলো, ব্যর্থতা মেনে নেওয়া। সফলরা অকপটে এই কাজটি করে থাকেন। কারণ ব্যর্থতার মাঝেই বাস্তব শিক্ষা মেলে। আর সেই শিক্ষাই ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মানুষকে দূরদর্শী করে তোলে। যারা ব্যর্থতা মানতে নারাজ, তারা অজুহাত সৃষ্টিতে ওস্তাদ।
৫. নেতিবাচক আচরণ ফুটিয়ে তোলা আপনার আসল পরিচয়টা এমনিতেই নানাভাবে ফুটে উঠবে। বদভ্যাসের অনিয়ন্ত্রিত প্রকাশ মানুষের মনে কেবল বাজে ধারণাই সৃষ্টি করবে। কাজেই নিজের সম্পর্কে কিছু বলা বা প্রকাশের ক্ষেত্রে সাবধান হয়ে যান। নইলে সুনাম ক্ষুণ্ন হবে। আর এর প্রভাব পড়বে আপনার ভবিষ্যতে।
Read More »

Saturday, August 5, 2017

বাথরুমের ৬ বদঅভ্যাস যেভাবে অসুস্থ করে ফেলছে আপনাকে

বাথরুম ব্যবহারে অনেকেরই কিছু বদঅভ্যাস আছে যা করা একদম উচিত নয়। অনেকে এই কাজগুলো অভ্যাসবশত করে আবার অনেকে অজ্ঞতাবশত করে থাকে। এই অভ্যাসগুলোর কারণে আপনি আক্রান্ত হতে পারেন ভয়ংকর কোন রোগে। আপাতদৃষ্টিতে বাথরুমকে পরিষ্কার মনে হলেও এর ভিতর কিছু জীবাণু থেকে যায়। আমাদের কিছু কাজে এই জীবাণুগুলো আমাদের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, রোগ ব্যাধি সৃষ্টি করে থাকে।

১। বাথরুমে মোবাইল ফোনের ব্যবহার

মার্কেটিং এজেন্সি ১১মার্ক এক জরিপে দেখেছে যে, শতকরা ৭৫ আমেরিকান বাথরুমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকেন। এমনকি ৩০% পুরুষ এবং ২০% মহিলা মোবাইল ছাড়া বাথরুমে প্রবেশ করেন না! আপনি যখন আপনার ফোন বাথরুমের বেসিন বা ওয়াশ কাউন্টারে রাখেন তখন আপনার অজান্তে কিছু শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়া আপনার ফোনে চলে যায়। আর এই ব্যাকটেরিয়ার কারণে আপনার হতে পারে নানা রোগ ব্যাধি। হাত ভাল করে ধুলেও ফোনের দিকে নজর দেই না। যদি কখনও ফোন বাথরুমে নিয়ে গেলেও ডিসইনফেকটিভ লোশন দিয়ে ফোন পরিষ্কার করে নিবেন।


২। ফ্লাশ করার সময় কমোডে ঢাকা না দেওয়া
এই কাজটি আমরা প্রায় সবাই করে থাকি। যখন আমরা কমোডে ফ্ল্যাশ করি তখন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র দানা বাতাসে মিশে যায়। আর এই ক্ষুদ দানার সাথে মিশে থাকে নানা ব্যাকটেরিয়া। টয়েলেট সিট থেকে প্রায় ৬ ফুট উঁচু উচ্চতায় পৌঁছতে পারে এই সব জলকণা। এবং এইগুলো দীর্ঘসময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তাই কমোড ফ্ল্যাশ করার সময়ে ঢাকনা লাগিয়ে রাখা উচিত।

৩। টুথব্রাশ রাখা

টুথব্রাশ সাধারণত সবাই বাথরুমে রাখে। দাঁত মাজার পর বাথরুমে টুথব্রাশ রেখে দিলে তা সহজে শুকনো হতে চায় না। আর এই ভেজা ভেজা পরিবেশেই সংক্রমণ জাতীয় ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্ম নেয়। পরে ব্রাশ থেকে এই ব্যাকটেরিয়াগুলো মুখে প্রবেশ করে ফেলে। তাই বাথরুমে টুথব্রাশ না রেখে বাইরে কোন স্থানে টুথব্রাশ রাখা ভাল।

৪। মেকআপ সামগ্রী বাথরুমে রাখা

মেকআপ সামগ্রী বাথরুমে রাখা বা নিয়ে যাওয়া উচিত নয়। তা যত ছোট মেকআপ সামগ্রী হোক না কেন। কারণ মূলত বেসিনের কাউন্টারে আপনি মেকআপ সামগ্রী রেখে থাকেন। ফলে সেখানকার ব্যাকটেরিয়া আপনার মেকআপ সামগ্রীতে চলে যায়। এরপর আপনি যখন তা ত্বকে ব্যবহার করেন, তখন ত্বকের রোমকূপ দিয়ে এই  ব্যাকটেরিয়াগুলো শরীরের মধ্যে ঢুকে আপনাকে অসুস্থ করে দেয়।

৫। লুফা ব্যবহার

লুফা বা গা পরিষ্কার করার ছোবা ব্যবহার করা হয় প্রায় সব বাড়িতে। কিন্তু লুফা ব্যবহার করার পর তা বাথরুমে রাখা উচিত নয়। ভেজা লুফায় প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া জন্ম গ্রহণ করে। তাই ব্যবহারের পর রোদে শুকিয়ে তারপর আবার বাথরুমে রাখুন। এতে লুফায় থাকা জীবাণু গুলো ধ্বংস হয়ে যায়।

৬। তোয়ালে রাখা

বাথরুমের কমোড, মেঝে পরিষ্কার করা হলেও দেওয়াল পরিষ্কার করা হয় না। দেওয়ালে থাকা অসংখ্য জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া বাথরুমে টাঙ্গিয়ে রাখা তোয়ালেতে চলে আসে। যখন আমরা তোয়ালে ব্যবহার করি, তখন তা আমাদের শরীরে চলে আসে। তাই বাথরুমে তোয়ালে না রাখাই নিরাপদ।
বাথরুমের এই অভ্যাসগুলো আপনাকে অসুস্থ করে দেওয়ার জন্য দায়ী। আজই ত্যাগ করুন অস্বাস্থ্যকর এই অভ্যাসগুলো।

Read More »

Tuesday, July 25, 2017

গান শোনার সেরা পদ্ধতি

গান চাঙা করে মানুষের মনকে। এখন গান শোনার যন্ত্র হিসেবে স্মার্টফোন আর হেডফোন মানুষের হাতের নাগালে। কিন্তু গান কীভাবে শোনা উচিত? গান শুনলে মন ভালো হয়, মস্তিষ্কে প্রশান্তি আসে। কিন্তু এই গান শোনার জন্য ভালো হেডফোন বা যন্ত্রের চেয়ে বেশি দরকার মানসিক প্রস্তুতি।
আধুনিক জীবনের কর্মব্যস্ততা আর মনোযোগ নষ্ট হওয়ার কারণে অনেকের গান শোনার অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। তাই গান শোনার আগে মানসিক প্রস্তুতি নিন। আধঘণ্টা আগে কানে হেডফোন লাগিয়ে রাখুন। এ ক্ষেত্রে নয়েজ ক্যানসেলিং হেডফোন হলে ভালো। আধঘণ্টা চুপচাপ থেকে বা শব্দ থেকে দূরে থেকে তারপর ধীরে ধীরে গান শুনলে মনে আসে প্রশান্তি।


গান শোনার সেরা পদ্ধতি হচ্ছে—আগে নিস্তব্ধতাকে উপভোগ করুন। কান আর মস্তিষ্ককে একটু বিশ্রাম দিয়ে স্তব্ধতাকে উপলব্ধি করতে দিন। এভাবে আধঘণ্টা পার করুন। এরপর দেখবেন মন্দ লাগছে না, গান শুনতে।
গান শুনে আপনি আনন্দিত হয়ে উঠতে পারেন। মেজাজ ফুরেফুরে লাগতে পারে। নাচতে ইচ্ছা হতে পারে কিংবা বাঁধ ভেঙে কান্নাও আসতে পারে। মন খারাপের সময় প্রিয় গান শুনলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হয়তো আপনার ভালো লাগা শুরু হয়ে যেতে পারে। গান শোনার সঙ্গে মানসিক অবস্থা পরিবর্তনের প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা।
অবশ্য শ্রবণশক্তি ঠিকঠাক রাখতে হলে দিনে এক ঘণ্টার বেশি যন্ত্রে গান বাজিয়ে না শোনারই পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। উচ্চ শব্দে, বেশি বেশি গান শুনে দুনিয়ার প্রায় ১১০ কোটি কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণী ইতিমধ্যেই কানের বারোটা বাজানোর ঝুঁকিতে আছে বলেও এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে জাতিসংঘ সংস্থাটি। নানা ধরনের অডিও প্লেয়ার, কনসার্ট এবং ক্লাব-বারগুলোকে অল্প বয়সী ব্যক্তিদের শ্রবণশক্তির জন্য ‘গুরুতর হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে। দুনিয়াজুড়ে ১২ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৪ কোটি ৩০ লাখ কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণী ইতিমধ্যেই শ্রবণশক্তির সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ধনী এবং মধ্য-আয়ের দেশগুলোর ১২ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের প্রায় অর্ধেকই নিজেদের ব্যবহার করা নানা অডিও ডিভাইসের কারণে শ্রবণশক্তির সমস্যায় আক্রান্ত হন। এ ছাড়া প্রায় ৪০ শতাংশই ক্লাবে-বারে উচ্চশব্দে বাজানো গান শোনা এবং লাইভ কনসার্টগুলোতে উপস্থিতির কারণে এ সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ সমস্যা দিন দিন বাড়ছে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি। উদাহরণ হিসেবে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে শ্রবণশক্তির সমস্যায় আক্রান্তের হার ১৯৯৪ সালে ৩ দশমিক ৫ থাকলেও ২০০৬ সালে তা বেড়ে ৫ দশমিক ৩ হয়ে গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘরেবাইরে যেখানেই হোক, গান শোনার সময় শব্দের মাত্রা কমিয়ে রাখাটা জরুরি। আর অনেকে চার-পাঁচ থেকে দশ ঘণ্টাও এমপি-থ্রি প্লেয়ারে গান শোনে, কিন্তু শব্দের মাত্রা বেশি অবস্থায় দিনে এক ঘণ্টাও কানের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। তাই ব্যক্তিগত অডিও ডিভাইসের ব্যবহার দিনে এক ঘণ্টার চেয়ে কমিয়ে আনা এ সমস্যা প্রতিরোধে খুবই কার্যকর হতে পারে।
গান শোনা প্রসঙ্গে চিকিৎসকেরা বলেন, গান শুনলে রাগ কমে। মন শিথিল করা কোনো সংগীত শুনুন। প্রিয় শিল্পীর গান শুনলে মনের রাগ চলে যায়। মেজাজ ভালো হয়ে ওঠে। উচ্চাঙ্গসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, জ্যাজ বা যার যেমন পছন্দ, তেমন গান শুনতে পারেন। এতে শান্ত হয় মন।
Read More »

Saturday, July 15, 2017

নখ কামড়াচ্ছেন? অজান্তেই যে সব ক্ষতি হচ্ছে আপনার

ছোট থেকে প্রাপ্তবয়স্ক অনেকেরই নখ কামড়ানোর স্বভাব রয়েছে। তবে আপনি কি জানেন, ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর একটি বড় জায়গা হলো নখ?
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘প্রায় ১০ লাখ ব্যাকটেরিয়া নখের মধ্যে বসবাস করে। আর আমরা যখন এই নখকে মুখের ভেতর প্রবেশ করাই, কামড়াতে থাকি, তখন সেগুলো শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে।’ বোল্ডস্কাইয়ে জানানো হয়েছে নখ কামড়ানোর ক্ষতিকর দিকগুলোর কথা।


• গবেষণায় বলা হয়, ৭৬ শতাংশ লোকের ডায়রিয়া ও বমির সমস্যা হয় নখ কামড়ানোর কারণে। এটি নখ কামড়ানোর একটি বড় ক্ষতিকর দিক।
• নখ কামড়ালে দাঁতের ক্ষতি হয়, এতে দাঁতের সমস্যা হয়, চোয়ালের ক্ষতি হয়। এ ছাড়া নখ কামড়ালে মাড়িতে রোগ হয়। মাড়ি ফোলার সমস্যা হতে পারে এই বদঅভ্যাস থেকে। তাই আপনি নখ কমাড়ানোর অভ্যাসটি বাদ না দিলে সমস্যায় পড়তে পারেন।
• আপনি কি জানেন, মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার একটি অন্যতম কারণ হলো নখ কামড়ানো? কীভাবে? মুখে দুর্গন্ধ হয় ব্যাকটেরিয়ার কারণে। আর নখ কামড়ালে নখের ভেতর থাকা ব্যাকটেরিয়াগুলো মুখে প্রবেশ করে।
• দীর্ঘদিন ধরে কামড়ালে একপর্যায়ে নখ তার বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। এতে নখ কুৎসিত হয়ে যায়। স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারায়।

Read More »

Wednesday, July 5, 2017

খুশকি দূর করার সঠিক উপায়

সময়ের অভাব বা অচেতনতা যে কারণেই হোক, ছেলেরা রূপচর্চার দিকে খুব একটা নজর দেন না। যার ফলে খুশকির সমস্যায় ভুগে থাকেন অধিকাংশ পুরুষই। সঠিক যত্নের অভাবে পুরোপুরি খুশকি দূর করা সম্ভব হয় না সবসময়। কর্মব্যস্ত দিনের মাঝেই খানিকটা সময় করে যত্ন নিতে হবে চুল ও স্ক্যাল্পের। তবেই খুশকির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন দেখে নেয়া যাক খুশকি দূর করার সঠিক উপায়-
এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিয়ে ভালোভাবে মেশান (বোতলে নিয়ে ঝাকিয়ে মেশাতে পারেন।) শ্যাম্পু করার আগে বা শ্যাম্পুর সাথে মিশ্রণটি মিশিয়ে নিয়ে ভালোভাবে চুল শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।


একটি কাপে এক কাপ পরিমাপ গরম পানিতে এক কাপ হোয়াইট ভিনেগার নিয়ে ভালোভাবে মেশান। এবার এই মিশ্রণ নিয়ে চুলের গোঁড়ায় সুন্দর করে লাগিয়ে নিন। ১০ থেকে ২০ মিনিট পর পরিষ্কার পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে খুশকি কমে আসবে।
পরিমাণ মতো নিমপাতা ও গরম পানি নিন। তারপর পানিতে নিমপাতা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে এই পানি দিয়ে আপনার মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কিছুদিন ব্যবহার করলে খুশকি কমে যাবে।
পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর শুধু পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এরপর আরো ১৫ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। মাসে দুইবার ব্যবহার করুন।
মাথার ত্বকে পরিমাণ মতো লেবুর রস নিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ৫ থেকে ৭ মিনিট রাখুন। এরপর ১ চা চামচ লেবুর রস ও ১ কাপ পানি মিশিয়ে সেটা দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। যতদিন খুশকি পুরোপুরি না যায় ততদিন এভাবে ব্যবহার করুন।

Read More »

Sunday, June 25, 2017

কোথা থেকে এল ফ্রেঞ্চফ্রাই? এটি মূলত কোন দেশি খাবার?

এ প্রশ্ন আদৌ কোনো প্রশ্ন কি না, তা নিয়েই হয়তো আপত্তি তুলবেন অনেকে। ফ্রেঞ্চফ্রাই আবার কোন দেশের, অবশ্যই ফ্রান্সের—তাই তো বলবেন অনেকে! তবে নামে ফ্রেঞ্চ হলেও জাতে যদি এই মচমচে খাবারটিকে মোটেও ফরাসি ভাবার ভুলটি করবেন না! স্কুপহুপে জানা গেল, ফ্রেঞ্চফ্রাইয়ের উৎপত্তি বেলজিয়ামে!
এর পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, অনেক আমেরিকান সৈন্য বেলজিয়াম সৈন্যদের মুখ থেকে ফরাসি শুনে দ্বিধান্বিত হয়ে যেত। সে কারণেই তাদের ‘ফ্রাই’ খাবারটির নাম হয়ে গিয়েছিল ফ্রেঞ্চফ্রাই!


আমরা ফ্রেঞ্চফ্রাই আর আলু ভাজা, যাই বলি না কেন—খাবারটি কিন্তু সবারই ভীষণ পছন্দের। আড্ডায় বা একান্ত অবসরে যেকোনো খাবারের সঙ্গে কিংবা আলাদাভাবে এক বাটি ফ্রেঞ্চফ্রাই হলে আর কিছুই তো লাগে না। কাজেই নামে কী বা আর আসে যায়!
মজার বিষয়, ‘ফ্রেঞ্চ’ টাইটেলযুক্ত আরো বেশ কয়েকটি বিষয়-আশয় রয়েছে, যেগুলো প্রকৃতপক্ষে মোটেও ফ্রেঞ্চ নয়! যেমন ‘ফ্রেঞ্চটোস্ট’ হচ্ছে রোমানিয়ার খাবার, ‘ফ্রেঞ্চহর্ন’-এর উৎপত্তি জার্মানিতে, ‘ফ্রেঞ্চবিন’ একেবারেই মেক্সিকান!
Read More »

Thursday, June 15, 2017

সহজে মুদ্রা দোষ দূর করবেন যেভাবে

টেলিভিশনের দিকে তাকিয়ে দেখতে দেখতে কলেজপড়ুয়া সিমির চারপাশ নিয়ে আর কোনো খেয়াল নেই। কম তো আর চ্যানেল নয়। হঠাৎ একটা দেশি চ্যানেলের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানের উপস্থাপেক দিকে আটকে গেল চোখ। কী আনমনে উনি হাতের নখ দাঁত দিয়ে খুঁটছেন! সিমি তো হেসেই গড়িয়ে পড়ে, ‘এমনও হয়, এটা কেমন অভ্যাস, লোকে দেখছে না!’ পাশ থেকে সিমির মা ভারী মুখ গম্ভীর করে বললেন, ‘যেমন এই আমি দেখছি তোর নখগুলো। শুধু তো নখ নয়, চারপাশের চামড়াও তো আর অস্ত নেই। এটা কেমন অভ্যাস?’ মানুষের মুদ্রাদোষগুলো হলো এমনই। নিজের খেয়ালের বাইরে অনবরত চর্চা করতে থাকে। কিন্তু বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় অপরের। মুদ্রাদোষ আর বাজে অভ্যাস কিন্তু এক জিনিস নয়। হাতের নখ কামড়ানো, বারবার পা নাড়ানো, আনমনা থাকতে থাকতে মাথা চুলকানো, নাকের ভেতর আঙুল ঢুকিয়ে চুলকানো, হাতের কাছে লম্বা কিছু পেলেই কানে ঢুকিয়ে দেওয়া, আঙুল ফোটানো, কথা বলার সময় জোরে জোরে হাত নেড়ে বা আঙুল তুলে কথা বলা ইত্যাদি হলো মুদ্রাদোষ। মানুষ নিজের অজান্তেই এগুলোর চর্চা করতে থাকে। কিন্তু ভয়ানক বিরক্তির সৃষ্টি করে সামনে বসে থাকা মানুষজনের বা নিকট আত্মীয়স্বজনদের। আর ক্ষতি? সেটা যার মুদ্রাদোষ আছে, ক্ষতিটা অবশ্যই তার। শারীরিক বা মানসিক, তবে সেটাও তার খেয়ালে থাকে কি না তা ভাবার বিষয়। মানসিক রোগের বিশেষজ্ঞ ডা. রোকসানা আক্তার মানুষের মুদ্রাদোষকে মোটেও সহজভাবে নেন না। মুদ্রাদোষের বিভিন্ন অভ্যাস মাত্রাতিরিক্ত আকার ধারণ করলে তা ব্যক্তির মানসিক বিপর্যস্ততাই নিশ্চিত করে। এ ধরনের অভ্যাস ব্যক্তির স্বজ্ঞানে কিংবা অন্যমনস্কতা উভয় পরিস্িথতিতেও হতে পারে। মুদ্রাদোষ প্রায় সবার মধ্যেই থাকতে পারে। খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে থাকলে, আনমনা হয়ে থাকলে কিংবা খুব অস্িথর থাকলে আমরা আমাদের মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি। সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক আচরণেরও। মুদ্রাদোষ এ ধরনের মানসিক অস্িথরতা, স্থবিরতা, মনোযোগের অভাব, সচেতনতার অভাব, চারপাশের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের অভাব এমনকি নৈতিকতা বোধের অভাব থেকে সৃষ্টি হতে পারে। গুরুজনরা বসে আছেন, তাঁদের সামনে বসে পা নাড়ানো, ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে পা নাড়ানো−এসব অভ্যাস নিজের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর ছাড়া আর কিছু নয়। বারবার সজোরে হাত নাড়ানো, চুলকানো−এগুলো মানুষের চারিত্রিক দুর্বলতাই প্রকাশ করে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মুদ্রাদোষ থাকার দোষে অনেককে বাতিল ঘোষণা করার রেওয়াজ আছে। সাক্ষাৎকার, অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা কিংবা পাসপোর্ট বা ভিসা অফিসে মুদ্রাদোষ থাকার জন্য ভালো বিপর্যয় আসার জোর আশঙ্কা আছে। তাই মুদ্রাদোষকে সহজভাবে না নেওয়াই উচিত। আমাদের দেশে সচেতনতার অভাব থাকার কারণে প্রায় অধিকাংশ মানুষের মুদ্রাদোষ থাকার ভালো রেওয়াজ আছে।
ডা. রোকসানা মনে করেন, আমাদের মুদ্রাদোষগুলো থেকে আমার নিজেরাই নিজেদের মুক্তি দিতে পারি। কারণ মুদ্রাদোষগুলো পরিহার করার জন্য নিজের প্রচেষ্টাই শতভাগ যথেষ্ট। তাই প্রয়োজন স্বদিচ্ছা এবং আত্মপ্রত্যয়।



নিজের মুদ্রাদোষটি শনাক্ত করে সব সময় সচেতন থাকতে হবে, যাতে মনের ভুলে আমরা যেন এমন অভ্যাসের চর্চা না করি। যিনি আনমনে বারবার পা নাড়াতে থাকেন, তাঁর বসার ধরন বদলে ফেলতে হবে। মাটির ওপর পা জোড়া জোরের সঙ্গে ফেলে বসা যেতে পারে। যিনি কথা বলতে বলতে হাত নাড়েন, তিনি হাত পেছনে রেখে মনে জোর নিয়ে এসে কথা বলতে পারেন। মনে রাখতে হবে, আমি এ অভ্যাসকে আর বৃদ্ধি করব না।
নিজের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। যেকোনো কাজে গভীর মনোনিবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যাপারটিও মাথায় রাখতে হবে। আলস্য জীবনযাপন বা অতিরিক্ত ঘুমের অভ্যাস বাদ দেওয়া দরকার। নিয়মিত ব্যায়াম এবং ধ্যান বা ইয়োগা করলে এ ধরনের অভ্যাস পরিহার করার ক্ষমতা তৈরি হয়।
সবসময় তো আর নিজের প্রতি নিজের নিয়ন্ত্রণও থাকে না আবার এ অভ্যাসগুলো চর্চার সময় খেয়ালও থাকে না তাই কাছের মানুষদের জানিয়ে রাখতে হবে, যাতে তাঁরা থামিয়ে দেন বা মনে করিয়ে দেন। তখন আবার নিজেদের বিরক্তিও প্রকাশ করা যাবে না।
পরিবারের সদস্যদের ছোটবেলা থেকে কিছু অভ্যাস তৈরি করে দেওয়া উচিত। বড়দের সঙ্গে ভদ্রতার সঙ্গে বসা, কথা বলা, অন্যদের সম্মান দেখিয়ে আচরণ করাসহ বিভিন্ন মূল্যবোধ শেখাতে হবে। তাদের মধ্যে মুদ্রাদোষ থাকলে ভর্ৎসনা নয়, বারবার বলে সচেতন করে দিতে হবে।
মুদ্রাদোষ থেকে মুক্তি পেতে আরেকটি ব্যায়াম করা যেতে পারে। তা হলো যিনি পা নাড়ান কিংবা হাত দিয়ে নাক, কান বা মাথা চুলকাতে থাকেন, তিনি দিনের একটা সময় ধরে একটানা পা বা হাতের দিকে স্িথরভাবে তাকিয়ে থাকুন। মনোযোগ নিয়ে দেখুন আর ভাবতে থাকুন অভ্যাসগুলোর কথা। কিংবা হঠাৎ বেখেয়াল হতেই পা নাড়াচ্ছিলেন, মনে হওয়ার পর বন্ধ করে তাকিয়ে ভাবতে থাকুন পাঁচ মিনিট। ভাবার সময় আবার বেখেয়াল হয়ে যাবেন না।
মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে অবশ্যই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করাই ভালো। অনেক মুদ্রাদোষ থাকে, যা মানসিক দুর্বলতা, অস্িথরতা কিংবা মনের অন্যান্য রোগের অনুসর্গ হয়ে দাঁড়ায়। তাই হেলফেলা করা উচিত নয়। তবে সবার আগে নিজেকে নিজের নিয়ন্ত্রণে এনে এ ধরনের অভ্যাস বর্জনের প্রচেষ্টা অধিক জরুরি।
ব্যক্তির শারীরিক আচরণ এবং বহিঃপ্রকাশই তার ব্যক্তিত্বকে সবার কাছে তুলে ধরে।

Read More »

Monday, June 5, 2017

ফেসবুকের জন্য কি ঘুম কম হচ্ছে ?

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ঘুমের অভাবে অনলাইনে ব্রাউজ করার ইচ্ছা জাগে মনে। বিশেষ করে ফেসবুকের মতো সোশাল মিডিয়ায় প্রবেশের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।
গবেষকরা ঘুমের পরিমাণের সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহারের সম্পর্ক দেখতে চেয়েছেন। এখানে ইন্টারনেট ব্যবহার ঘুমের ওপর কি প্রভাব ফেলে তা দেখা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৬ জন শিক্ষার্থীর ওপর টানা ১ সপ্তাহের গবেষণা পরিচালনা করেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের কম্পিউটার ও স্মার্টফোনের ওপর নজরদারি করা হয়। দেখা হয়, তারা ফোনের কতক্ষণ কথা বলেন বা টেক্সটা পাঠান এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন সকালে তাদের ঘুম নিয়ে রিপোর্ট দিতেন।


আবার গোটা দিন শেষে তারা একটি জরিপে অংশ নিতেন। গোটা সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা বিশ্লেষণ করেন তারা। একটি বিশেষ ইন্টারভিউয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তারা। গবেষণায় ‘ঘুমের ঋণ’ বিষয়কেও প্রাধান্য দেওয়া হয়। অর্থাৎ, কতটুকু ঘুম হয়েছে এবং কতটুকু দরকার ছিল। বাকিটুকু ‘ঘুমের ঋণ’ বলে বিবেচিত হয়। শিক্ষার্থীদের বয়স, লিঙ্গ এবং লেখাপড়ার চাপ ইত্যাদি বিবেচনা করে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। দেখা যায়, ঘুমের অভাবের সঙ্গে মেজাজ খারাপ, উৎপাদনশীলতার হ্রাস এবং ফেসবুকে ঢুঁ মারার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।
প্রধান গবেষক গ্লোরিয়া মার্ক বলেন, যখনই আপনি কম ঘুমাচ্ছেন তখনই সব ক্ষতির মুখে যাচ্ছে। আর যখন মানসিকতার চরম খারাপ অবস্থা, তখনই ফেসবুকে চলে যাচ্ছেন আপনি। এর আগেও বহু গবেষণায় প্রযুক্তির সঙ্গে স্বাস্থ্যকর ঘুমের বিষয়টি উঠে এসেছে। জার্নাল অব চাইল্ড নিউরোলজি-তে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়, বাতি নেভানোর পর যে টিনএজাররা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাদের ঘুম কম হয়। প্রযুক্তি যন্ত্রের ব্লু লাইট মস্তিষ্ক উত্তেজিত করে। এটি দেহে মেলাটনিন হরমোন ক্ষরণে বাধা প্রদান করে। এই হরমোন ঘুমের ভাব আনে। এতে ঘুমের অভ্যাস এবং গুণগতমানের পরিবর্তন ঘটে।

Read More »

Thursday, May 25, 2017

বিশ্বের সবচেয়ে দামী ৫ খাবার

খাবার আমরা খেয়ে থাকি কেন? এর উত্তর সবার জানা- ক্ষুধা মেটানোর জন্য। এই খাবারের পিছনে আমরা কত টাকা খরচ করে থাকি? আরেকটু স্পষ্ট করে বললে, একটি খাবারের পিছনে আপনি কত টাকা খরচ করবেন? খুব বেশি ১৫-২০ হাজার এই তো? কিন্তু একটি খাবারের মূল্য যদি লাখের উপরের চলে যায়, তখন? অবাক হচ্ছেন তো? অবাক হওয়ার কিছু নেই পৃথিবীতে এমন কিছু খাবার আছে যার কোন কোনটির মূল্য লাখের উপর চলে গেছে! সবার সাধ্যের মধ্যে না থাকলেও এই খাবারগুলো কিছু কিছু মানুষ নিয়মিত খেয়ে থাকেন। আসুন আজ এমন কিছু খাবারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই।
১। পুডিং (pudding)- ৩৫,০০০ ডলার
পুডিং বেশ পরিচিত একটি খাবার। পরিচিত এই খাবারটি যুক্তরাজ্যে অবস্থিত হোটেল Lindeth Howe Country House এ খেতে গেলে আপনাকে ৩৫,০০০ ডলার গুনতে হবে! ২০১১ সালে চিফ Marc Guibert এই চকলেট পুডিংটি তৈরি করে থাকেন। এটি দেখতে ডিমের মত। এতে চকলেট, সোনালী পাতা, শ্যাম্পেন, ক্যাভিয়ার এবং হীরা ব্যবহার করা হয়! সোনা এবং শ্যাম্পেন জেলী দিয়ে এই খাবারটির লেয়ার তৈরি করা হয়। এই খাবারটি খেতে হলে আপনাকে দুই সপ্তাহ আগে অর্ডার করতে হবে।


২। ইটালিয়ান হোয়াইট অ্যালবা ট্রায়ফল (Italian White Alba Truffle)– ১,০৬,২৩০ ডলার
ট্রায়ফল খাবারটি সবসময় বেশ দামী, তবে ইটালিয়ান হোয়াইট অ্যালবা ট্রায়ফল একটু বেশি দামী। এটি উৎপাদন করা বেশ কঠিন, যার কারণে এটি এত বেশি দামী। হংকং এর এক ব্যবসায়ী দম্পতি ছবির এই খাবারটির ক্রেতা।
৩। ইউবেরি কিং মেলনস (Yubari King Melons)- ২২,৮৭২ ডলার
এই বাঙ্গি বাজারে কিনতে পাওয়া আর দশটা সাধারণ বাঙ্গীর মত নয়। এটি বিখ্যাত তার স্বাদ এবং পরিমাণের কারণে। এই ফলটি বিক্রির জন্য নিলামেরও আয়োজন করা হয়ে থাকে! একজন ব্যবসায়ী এই ফলটি প্রায় ২৩,০০০ ডলার পর্যন্ত বিড করেছিল।
৪।অ্যালমাস ক্যাভিয়ার (Almas Caviar)- ২৫,০০০ ডলার
ইরানের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং দুষ্প্রাপ্য একটি খাবার এটি। এটি শুরু থেকেই দামী খাবার ছিল, কিন্তু বর্তমানে এর দুষ্প্রাপ্যতা একে আরও বেশি দামী করে তুলছে। এই দুর্লভ খাবারটি একটি মাত্র জায়গায় দেখতে পাওয়া যায়, তা হল লন্ডনের পিকাডেলির ‘ক্যাভিয়ার হাউজ অ্যান্ড প্রুনিয়ার’। এই খাবারটি এক পাউনড পরিমাণে আলাদা আলাদা টিনে রাখা হয় এবং টিনগুলো ২৪ ক্যারট স্বর্ণ দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে!
৫। ফ্লুয়ার বার্গার (FleurBurger)– ৫,০০০ ডলার
লাস ভেগাসে দামী খাবারগুলোর মধ্যে ফ্লুয়ার বার্গার অন্যতম। গরুর কিমা আর ট্রুফল বার্ন দিয়ে তৈরি এই বার্গারটি অর্ডার করলে ওয়াইন এবং দুটি ক্রিস্টাল স্টিমওয়ার গ্লাস ফ্রি দেওয়া হত। 
Read More »

Monday, May 15, 2017

কোন হাসিতে লুকানো আছে কোন কথা?

আমাদের হাসির সাথে সাথে বদলায় মুখের রং। আমরা হয়ত কখনো সেভাবে খেয়াল করে দেখি না, কিন্তু হাসলে শুধু মুখ না সাথে সাথে চেহারার ত্বকের প্রসারণ ঘটে, তাকানোর ধরণ বদলে যায়। কিন্তু সবক্ষেত্রেই ঘটনা একই রকম ঘটে না। আমাদের মনের ভাব অনুযায়ী বদলে যায় হাসির প্রকাশ ও। গবেষক এবং প্রভাষক রোনাল্ড এ রিজ্ঞিও হাসির ৫টি ধরণ চিহ্নিত করেছেন। এগুলো হল-
Duchenne হাসি
মনোবিজ্ঞানী এবং নন ভার্বাল যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ পল একমান এই টার্মটি ব্যবহার করেন সত্যিকারের আনন্দসূচক হাসি বোঝাতে। তিনি তাঁর গবেষণায় দেখেছেন, মানুষ যখন সত্যিই কোন ঘটনা বা বিষয়ে খুশী হয়ে হেসে ফেলে তখন ঠোটের অংশের পরিবর্তনের সাথে সাথে হেসে ওঠে তাঁর চোখ। গালে টোল বা ভাঁজ পড়ে। পুরো মুখের মধ্য দিয়েই হয় আবেগের প্রকাশ। বিশেষজ্ঞ একমানের Facial Affect Coding System (FACS) থেকে ট্রেনিং নিয়ে আপনিও অবশ্য একই রকম হাসি হাসতে পারবেন, মনে যাই থাকুক!
মিথ্যা হাসি
এক্ষেত্রে চোখের সংযোগটা থাকে না। মানে আপনি হাসবেন, সাথে আপনার চেহারার অর্ধেকটাই হাসবে কিন্তু চোখের কোন পরিবর্তন হবে না। ভাবছেন, এ আবার কেমন কথা! ক্যামেরার সামনে আমাদের যখন পোজ দিয়ে হাসতে বলা হয় তখন তাৎক্ষণিক যে হাসি দিই আমরা তা কিন্তু এই ধরনের হাসি, মানে মিথ্যা হাসি।


অস্বস্তিসূচক হাসি
মানুষ যখন কোন কারণে অস্বস্তিতে ভোগে কিন্তু তা প্রকাশ করার পরিবর্তে একটা হাসি দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করে তখন সেই হাসিকে আমরা এই দলে ফেলতে পারি। একটি চাকরীর ইন্টারভিউতে একটি গবেষণা চালিয়েছিলেন মনোবিজ্ঞানীরা। সেখানে তারা দেখেন, নারী প্রার্থীদের বিভিন্ন সেক্সুয়াল ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করা হলে তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একটা হাসি দিয়ে নিজের বিরিক্তি এবং অস্বস্তি ঢাকার চেষ্টা করছেন। এটিই অস্বস্তিসূচক হাসি।
প্রলোভন সঙ্কুল হাসি
হাসির মধ্য দিয়ে মানুষ যখন আকর্ষণ প্রকাশ করে তখন সেই অনুযায়ী চেহারার ভঙ্গীও বদলে ফেলে সে। তাঁর চোখেমুখে ফুটে ওঠে সমর্পন। সে যেমন খুবই নমনীয় হতে পারে আবার একই সাথে তাঁর প্রকাশ ভঙ্গী হতে পারে উদ্ধত, দৃঢ়। হাসির সাথে মিশে থাকতে পারে লজ্জা, আহবান। বিপরীত ইতিবাচক মন দেখা মাত্রই চিনতে পারে এই চাহনী।
কৌতুকের হাসি
হাসিটা হয়ত ইতিবাচকই হয়, কিন্তু চোখে ফুটে ওঠে বিদ্রুপ। কখনো কখনো কৌতুকের হাসি হতে পারে দ্বিমুখী। মানে একই সাথে সেটি প্রকাশ করতে পারে বিনোদনপ্রাপ্তির আনন্দ এবং অপছন্দ।
প্রতিদিন কতবার হাসি আমরা? শতশত বার। মনে হতে পারে হাসি মানেই আনন্দ। কিন্তু মানুষের মস্তিষ্কের মত জটিল তাঁর প্রকাশভঙ্গীও। এক হাসিরই থাকতে নানান মিশ্র অর্থ, জটিল ভাব। 

Read More »

Friday, May 5, 2017

সকালে গোসল করা কি ভাল ?

কাজের প্রয়োজনে আমাদের প্রতিদিনই ঘরের বাইরে যেতে হয়। আর এ কারণে সকালবেলা গোসল করাটা আমাদের নিত্যদিনের রুটিনের মধ্যে পড়ে। শীতের সময় আমরা সাধারণত গরম পানি দিয়েই সকালে গোসল করে থাকি। এর ফলে আমাদের শরীরের লোমকূপের মুখ খুলে যায়।
সারা দিন বাইরের ধুলাবালি, ময়লা লোমকূপের মধ্যে প্রবেশ করে, যা আমাদের ত্বককে রুক্ষ ও প্রাণহীন করে ফেলে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কিছু নিয়ম মেনে চললে সকালে গোসল করাটা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হবে না।


কোন উপায়ে সকালে গোসল করবেন, সে সম্বন্ধে টাইমস অব ইন্ডিয়ায় কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে :
    • বেশি গরম পানি ব্যবহারে ত্বকের স্বাভাবিক তেল নিঃসরণ বন্ধ হয়ে যায় এবং এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। গোসলের জন্য ঠান্ডা পানির সঙ্গে হালকা গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার শীতও কম লাগবে, আবার ত্বকেরও ক্ষতি হবে না।
    • গোসলের সময় খুব বেশি সাবান ব্যবহার করবেন না। সাবানের ক্ষারের কারণে ত্বক অনেক বেশি রুক্ষ হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে মাইল্ড সাবান ব্যবহার করতে পারেন।
    • মাজুনি দিয়ে শরীর ঘষার পর সেটি ভেজা অবস্থায় থাকে। এর ফলে এতে ব্যাকটেরিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা পরে ব্যবহারের ফলে এই জীবাণু শরীরের প্রবেশ করে। তাই গোসলের সময় ভেজা মাজুনি ব্যবহার না করাই ভালো।
    • সকালে বেশি সময় ধরে গোসল করা ঠিক নয়। এতে শরীরের স্বাভাবিক তেল নিঃসরণ বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে শরীর শুষ্ক হয়ে যায় এবং ত্বক পানিশূন্যতায় ভোগে। তাই যতটা সম্ভব দ্রুত গোসল করার চেষ্টা করুন।
    • গোসল করার আগে চুল আঁচড়ে নিন। না হলে সকালবেলা তাড়াতাড়ি ভেজা চুল আঁচড়াতে গেলে অনেক সময় চুল ছিঁড়ে যায় এবং জট বেশি বাঁধে। তাই সব সময় ঘুম থেকে উঠে চুল আঁচড়ানোর পর গোসল করুন।

Read More »

Monday, March 20, 2017

অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে নিরাপদ ও সহজতম উপায়

অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে নিরাপদ ও সহজতম উপায় হচ্ছে বিটকয়েনের মাধ্যমে আয় করা। বিটকয়েন হল লেনদেন হওয়ার সাংকেতিক মুদ্রা। ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। তিনি এই মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন নামে অভিহিত করেন। বিটকয়েনের লেনদেনটি বিটকয়েন মাইনার নামে একটি সার্ভার কর্তৃক সুরক্ষিত থাকে। পিয়ার-টু-পিয়ার যোগাযোগ ব্যাবস্থায় যুক্ত থাকা একাধিক কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মধ্যে বিটকয়েন লেনদেন হলে এর কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহারকারীর লেজার হালনাগাদ করে দেয়। একটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে নতুন বিটকয়েন উৎপন্ন হয়।

খুব কঠিন মনে হচ্ছে? কোন সমস্যা নাই। এক বিটকয়েন সমান কত ডলার তা জানলেই পাগল হয়ে যাবেন বিটকয়েন আয় করার জন্য। এই লিঙ্ক থেকে দেখে নিন আজকের আপডেটেড রেট।

বিটকয়েন আয় করার জন্য প্রথমেই আপনার প্রয়োজন হবে একটি বিটকয়েন ওয়ালেট , যা আপনি এই লিঙ্ক থেকে সাইন আপ করার মাধ্যমে পেয়ে যাবেন। আপনার ইমেইল আর পাসওয়ার্ড লিখে সাইন আপ করেন। তারপর ইমেইল কনফার্ম করেন। তারপর আপনি একটি বিটকয়েন অ্যাড্রেস পাবেন। এর জন্য বিটকয়েন অ্যাড্রেস ট্যাবে গিয়ে Create New Address এ ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন। ওইটি দিয়ে বিটকয়েন লেনদেন করতে পারবেন। ওয়ালেট তৈরি করা তো হল। এবার আয় শুরু করি।



আয় করার জন্য আপনাকে এই সাইটে একটি একাউন্ট খুলতে হবে তারপর আপনি ফ্রি রোল করে কিছু বিটকয়েন আয় করতে পারবেন। এছাড়া আপনি অন্যকে রেফার করেও আপনার আয় বাড়াতে পারেন। 

আপনার আয়ের পরিমান একটি নির্দিষ্ট পরিমান হলেই আপনি তা আপনার ওয়ালেটে Withdraw করতে পারবেন আর আপনি যদি Auto Withdraw Active করে রাখেন তবে আপনার আয় নির্দিষ্ট পরিমান হলে তা আপনার ওয়ালেটে পাঠিয়ে দেয়া হবে। 

আপনার আয়কৃত বিটকয়েন দিয়ে আপনি মোবাইলে রিচার্জ করতে পারেন এই লিঙ্ক থেকে। আপনি চাইলে বিকাশ অথবা রকেটের মধ্যেও আপনার আয়কৃত বিটকয়েনের সমমূল্যের টাকা নিতে পারেন। এছাড়াও ব্যাংক থেকে ক্যাশ পেতে চাইলে আপনার দরকার একটা okpay, একটা egopay আর একটা payza অ্যাকাউন্ট। আপনি আপনার BTC প্রথমে okpay তে ডিপোজিট করবেন, তারপর okpay থেকে egopay তে withdraw করবেন পুরা ফ্রি তে। তারপর egopay থেকে payza তে withdraw করবেন, এটার জন্নে মাত্র ২% চার্জ কাটবে।

তবে আমি সাধারণত আমার আয়কৃত বিটকয়েন দিয়ে বিদেশি শপিং সাইট থেকে কেনা-কাটা করে থাকি তারপর সেইসব পণ্য দেশে bikroy.com or ekhanei.com এর মাধ্যমে ১০০% লাভে বিক্রি করে থাকি। অর্থাৎ পুরোটাই লাভ !

আপনাদের জন্য কিছু Proof এখানে দেয়া হল : 





Read More »

Sunday, March 5, 2017

প্রথম সাক্ষাতে যে কথা বলবেন না

কর্মক্ষেত্রে কোনো সহকর্মী বা কফি বৈঠকে সম্ভাব্য কোনো ক্লায়েন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎকারই হোক না কেন আপনার যখন নতুন কারো
সঙ্গে দেখা হবে তখন আপনি যা বলবেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কারো সঙ্গে প্রথম দেখায় যা বলা হয় তার প্রভাব থাকে চিরকাল।
কারো সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই অসচেতনভাবে বা বাজে কোনো শব্দ ব্যবহার করলে তা শুধু আপনার সম্পর্কে তার মধ্যে খারাপ ধারণাই সৃষ্টি করবে না বরং আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা, আপনি কাদের সঙ্গে মেশেন এবং আপনার ক্যারিয়ারের অগ্রগতিকেও প্রভাবিত করবে।


এখানে কথা বলার এমন ২১টি পয়েন্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হলো যেগুলো মাথায় রাখলে আপনি নতুন কারো সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই ভুল বা অপ্রীতিকর কিছু বলা থেকে রেহাই পাবেন:

১. ‘আমি এই কোম্পানিকে ঘৃণা করি বা আমার বস একজন বাজে লোক’- সত্য হলেও এ ধরনের কথা বলা যাবে না। কারণ নেতিবাচকতা সবচেয়ে দ্রুত কারো সম্পর্কে বাজে ধারণা সৃষ্টির প্রধানতম উপাদান। আপনার যদি কারো ব্যাপারে কোনো অভিযোগ থেকে থাকে তাহলে এমন কারো সঙ্গে যোগাযোগ করুন যিনি বিষয়টির কোনো সমাধান দিতে পারবেন; যেমন, মানবসম্পদ বিভাগ।

২. আপনি কত বেতন পান? প্রথম সাক্ষাতেই কাউকে তার বেতন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করাটা একটু রুঢ়ই বটে।

৩. বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত: কারো সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করাতে গিয়ে একথা না বলে বরং বলুন, ‘মাফ করবেন। আপনার হাতে একটু সময় হবে কি?’

৪. আপনি কাকে ভোট দেবেন? নির্বাচনের সময় কারো সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে রাজনীতির আলাপ না তোলাই ভালো।

৫. আপনি কি আস্তিক? কখনোই প্রথম সাক্ষাতে এ ধরনের প্রশ্ন করাটা সবসময়ই বেঠিক ও অশোভন বলে মনে হয়। তবে আপনি যদি বিশেষ কোনো ধর্মতাত্বিক গোষ্ঠীর সদস্য হয়ে থাকেন তাহলে অনেক সময় ভুলক্রমে তা ঘটেও যেতে পারে। কিন্তু কর্মস্থলের কারো সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে এ ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা একদমই ঠিক হবে না।

৬. আমি সমকামী/বিষমকামী: প্রথম সাক্ষাতেই কারো সঙ্গে আপনার যৌনতার ঝোঁক নিয়ে বলতে গেলে তা অস্বস্তির সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি এতে আপনার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগও উঠতে পারে।

৭. আপনার সন্তান প্রসব হবে কবে? কোনো নারী গর্ভবতী না হওয়া সত্ত্বেও যদি আপনি তাকে এমন প্রশ্ন করেন তাহলে আর রেহাই নেই। এ ধরনের প্রশ্নকে একটি মারাত্মক অপমান হিসেবেই বিবেচিত হবে। আর তাছাড়া প্রথম সাক্ষাতেই এমন প্রশ্ন করাকে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে অনিধকার চর্চার শামিল বলেও গণ্য করা হয়।

৮. ‘এটা অসম্ভব’- কোনো সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা এবং সেটি সমাধানে চেষ্টা করা যেতে পারে। কিন্তু অসম্ভব বলে তা এড়িয়ে যাওয়াটা খুবই নেতিবাচক এবং বিষয়টির সমাধানে আপনার মধ্যে দৃঢ় প্রত্যয়ের অভাব আছে বলেই প্রমাণ করবে।

৯. কোনো সহকর্মীর ব্যাপারে অপর সহকর্মীর কাছে কখনোই কোনো কটু কথা বলতে যাবেন না। এতে আপনার নিজের ইমেজেরই ক্ষতি হবে বেশি।

১০. ‘আপনার পোশাকটা সুন্দর হয়েছে’- প্রথম সাক্ষাতেই কারো চেহারা-সুরৎ নিয়ে বা পোশাকআশাক নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করাও ঠিক না। এমনকি পরিচয় হওয়ার পরও কী বলছেন সে ব্যাপারে সবসময়ই সাবধান থাকুন।

১১. ‘আমি বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটাতে চলেছি’- আপনি যদি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে কঠিন কোনো পরিস্থিতির মধ্যে থাকেন তাহলে নতুন সহকর্মীদের সঙ্গে তা নিয়ে কথা বলাটা একদমই ঠিক হবে না। কারণ প্রথম সাক্ষাতেই ব্যক্তিগত সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বললে লোকে আপনার কর্মক্ষমতা নিয়েই সন্দিহান হয়ে পড়বে।

১২. ‘আমার ধারণা…’- কোনো বিষয়ে নিশ্চিত না হলে সে বিষয়ে বলতে গিয়ে ‘আমার ধারণা’ জাতীয় শব্দবন্ধ ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু হরহামেশাই এভাবে কথা বললে আপনাকে উদ্দীপনাহীন লোক বলেই মনে হবে। সূতরাং কোনো বিষয় নিশ্চিতভাবে জানা থাকলে তা দৃঢ়তার সঙ্গেই বলুন।

১৩. ‘আমি প্রাণপণ লড়ছি’- কর্মস্থলে উদ্যম দেখানো গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষত যখন আপনাকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কিন্তু প্রথম সাক্ষাতেই এ ধরনের কথা বললে তা অর্থহীন প্রলাপ বলেই মনে হবে।

১৪. ‘ফোনে কথা শুনে আপনাকে যেমন মনে হয় তারচেয়ে আপনি আলাদা’- প্রথম সাক্ষাতেই এ ধরনের কথা বললে আপনাকে বিস্মিত, হতাশ বা হতবুদ্ধিকর মনে হবে। এবং আপনি যার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন তিনি যে আপনার প্রত্যাশা পুরন করতে পারেনি তা প্রকাশ হয়ে পড়বে।

১৫. ‘আপনি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি শান্ত/সুন্দর/ভালো’- এতে মনে হতে পারে আপনি তার ব্যাপারে আরো নিচু প্রত্যাশা করেছিলেন; যা খুবই অস্বস্তিকর।

১৬. আপনার বয়স কত? প্রথম সাক্ষাতেই কাউকে তার বয়স নিয়ে প্রশ্ন করাটা চরম অভদ্রতা হিসেবেই গণ্য করা হয়।

১৭. ‘সত্যি বলতে কী’- আপনি যখন বিশেষ কোনো উপলক্ষে নিজের সততার প্রতি অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে যাবেন তখন তারা ভাবতে বাধ্য হবে, ‘তাহলে কি আপনি আমার সঙ্গে সব সময়েই সৎ ছিলেন না?’


১৮. ‘আপনি হয়তো আমার বিষয়ে শুনেছেন যে…, কিন্তু এসব সত্য নয়’- প্রথম সাক্ষাতেই আপনাকে নিয়ে প্রচলিত কোনো গুজবের প্রতি কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করতে যাবেন না। এতে মনে হতে পারে যে আপনি নিজেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ লোক ভাবছেন।

১৯. ‘আপনি কি আমায় একটু অনুগ্রহ করবেন’- প্রথম সাক্ষাতেই কারো কাছে সহযোগিতা চাওয়াটা একটু অশোভনই বটে।

২০. ‘আমি… আমি… আমি…’ কারো সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে শুধু নিজের সম্পর্কেই বেশি জানান দিতে যাবেন না। তার চেয়ে বরং অপরের কথো মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং নিরপেক্ষ কোনো বিষয় বা উভয়েরই আগ্রহ আছে এমন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন।
Read More »

Wednesday, February 1, 2017

ছেলেদের যে গুণ পছন্দ করে মেয়েরা

মেয়েদের মন বোঝা বেশ কষ্টসাধ্য। কারণ তারা তাদের মনের কথা সহজে প্রকাশ করতে চায় না। ঠিক তেমনি পুরুষদের ব্যক্তিত্বের এমন কিছু দিক যা মেয়েরা মুখে অপছন্দের কথা বললেও মনে মনে আসলে সেগুলো ঠিকই পছন্দ করে। তাই এ বিষয়ে লাইফস্টাইল ইভেন্ট গ্রুপ ফেমিয়ানা’র দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষার ফলাফলে উঠে এসেছে বেশ কিছু তথ্য। সমীক্ষাটির লক্ষ্য ছিল, এমন কয়েকটি বিষয় পুরুষের চরিত্রের যা মেয়েরা  অপছন্দের ভান করেন কিন্তু মনে মনে আসলে সেগুলি ঠিকই পছন্দ করেন। এ লক্ষ্যে ৬হাজার ৭শ’ ২৯ জন মহিলাকে প্রশ্ন করার পর সমীক্ষার ফলাফল সংস্থাটি প্রকাশ করেছে। যেখানে মেয়েদের গোপন কিছু ভালোলাগার কথা উঠে আসে। সেখান থেকেই কিছু তথ্য আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলো।
  • ঝগড়ার সময় তর্ক না করা : ঝগড়ার মুহূর্তে যে সব পুরুষ সঙ্গিনীর সঙ্গে তর্ক না করে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারে, সেসব পুরুষদেরই মেয়েরা বেশি পছন্দ করে। যদিও মেয়েরা মুখে মুখে অভিযোগ করবে ওর তো সাত চড়ে রা নেই কিন্তু জানবেন মনে মনে আপনার এই স্বভাব তিনি পছন্দই করেন।
  • বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়া : অনেক মেয়েই অসন্তোষ প্রকাশ করে যে তার স্বামী বা প্রেমিক অনেক বেশি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়। কিন্তু সে আসলে মনে মনে খুশিই হয়। কারণ মেয়েরা আসলে চায় ছেলেরা একটু সামাজিক হোক, অন্য ছেলে বন্ধুদের সঙ্গে একটু আড্ডা মারুক এমটাই মেয়েরা আসলে পছন্দ করেন। আসলে সারাদিন ঘরে শুয়ে বসে সময় কাটায় এমন ছেলেদের মেয়েরা মোটেই পছন্দ করে না।
  • আমি যখন কথা বলব, তুমি চুপ করে থাকবে : মেয়েরা অনেক সময় তার প্রেমিক বা স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার সময় বলে থাকে আমি যখন কথা বলব তুমি চুপ থাকবে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, তিনি সত্যিই চাইছেন তাঁর সঙ্গীটি মুখ বুজে থাকুক। কিন্তু কোনো কথা না বললে বা যুক্তির বিপক্ষে প্রতিযুক্তি না দিলে  কোনো সমস্যার সমাধান হয় না এ কথা যে কোনো বুদ্ধিমতী মেয়েই জানে। তাই আপনার এই শীতলতা নিয়ে আপনার সঙ্গিনী অভিযোগ করলেও জানবেন, মনে মনে আপনার এই স্বভাব তিনি পছন্দই করেন।


  • খেলার চ্যানেল দেখা : বাসায় ফিরেই খেলার চ্যানেল খুলে বসা থাকে, এমন অভিযোগ প্রায় প্রতিটি স্ত্রীই তার স্বামী সম্পর্কে করে থাকে। আসলে মেয়েরা কিন্তু খেলাধুলো ব্যাপারটাকে যথেষ্ট পুরুষালি বলে মনে করেন। সেই কারণেই মেয়েদের মধ্যে খেলোয়াড়রা এত বেশি জনপ্রিয়। নিজের স্বামীটি খেলতে না পারলেও  অন্তত খেলা দেখতে ভালবাসে, এই ভাবনা মনে মনে শান্তি দেয় অধিকাংশ মহিলাকেই।
  • নিজের মনের কথা বুঝতে দেয় না : মেয়েরা অনেক সময় এ কথাটা অভিযোগের সুরে বলে থাকে যে ওতো নিজের মনের কথা আমাকে বুঝতেই দেয় না।পুরুষের মানসিক দৃঢ়তার পরিচায়ক হলো মনের কথা নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা, এমনটাই মনে করেন মেয়েরা। তবে এর অর্থ আবার এই নয় যে, নিজের মনের ভালোলাগা বা মন্দলাগা কোনো কিছুই   সঙ্গিনীর সঙ্গে শেয়ার না করলে তারা খুশি হবেন। যেসব পুরুষ নিজের দুশ্চিন্তা বা দুঃখগুলো বেশি প্রকাশ করে না, সেসব পুরুষদেরকেই মেয়েরা বেশি পছন্দ করে।
Read More »