Showing posts with label জানা অজানা. Show all posts
Showing posts with label জানা অজানা. Show all posts

Friday, October 20, 2017

চায়ে চুমুক দেওয়ার আগে জানুন

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে শুরু চা পান। এরপরে সারাদিন একাধিকবার অনেকেই চা পান করেন। চা পান করা শরীরের পক্ষে উপকারী না ক্ষতিকারক, তা নিয়ে অনেক ব্যাখ্যা আছে। একটি সর্বভারতীয় হিন্দি দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একটি বেসরকারি হাসপাতালের ডায়েটিশিয়ান রেখা চন্দ্রাকর জানিয়েছেন, চা পান করার সময়ে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা অবশ্যই প্রয়োজন। তা হলেই চা পানের উপকারিতা পাওয়া যাবে। চায়ের পুষ্টিগুণগুলি শরীরে যাবে। আর চা পানের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে।




• চায়ের পাতা, দুধ এবং চিনি একসঙ্গে ফুটিয়ে চা বানাবেন না। প্রথমে জল ফোটান, তার পরে চা পাতা মেশান। সবার শেষে দুধ মেশান।

• চায়ের জল একবার ফোটালেই যথেষ্ট। তিন মিনিটের বেশি চা ফোটালে জলের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। চায়ের স্বাদও খারাপ হয়।

• সবসময়ে ফুটন্ত জলেই চা পাতা ঢালুন। এর ফলে চায়ের রং এবং ফ্লেভার, দুই সঠিক থাকবে।

• বানানোর পরে আধ ঘণ্টা হয়ে গেলে আর সেই চা পান করবেন না। এর থেকে বদহজম হতে পারে।

• একবার যে চা পাতা ব্যবহার করে চা বানানো হয়েছে, তা দিয়ে আর চা বানাবেন না। এতে পেটের সমস্যা হতে পারে।

• খাওয়ার পরে চা পান করবেন না। চায়ের মধ্যে ফেনোলিক কম্পাউন্ড থাকে। এই যৌগটি শরীরের আয়রন গ্রহণক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে, অ্যানিমিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।



• ওষুধ খাওয়ার পর পরই চা পান করবেন না। চায়ের মধ্যে থাকা ট্যানিন ওষুধের কার্যকারিতা হ্রাস করে।

• সকালে খালি পেটে চা পান করলে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। তাই কিছু খেয়ে তার পরেই চায়ে চুমুক দিন।

Read More »

Tuesday, October 10, 2017

ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে যেসব খাবার

একবার যারা ধূমপানে আসক্ত হয়েছেন, তারা অনেকেই  এই বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে চাইলেই পারেন না। আপনি যদি ধূমপায়ী হোন তবে নিম্নোক্ত  খাবারগুরো খেলে ধূমপান আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে পারেন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেশ কিছু প্রকৃতিক উপাদান ধূমপানের কুঅভ্যাস ছাড়াতে দারুন কাজে আসে। যেমন ধরুন…

১. আদা
সিগারেট ছাড়ার পর প্রথম যে লক্ষণটা দেখা দেয়, তা হল মাথা ঘোরা। এই ধরনের লক্ষণের প্রকোপ কমাতে আদা দারুন কাজে আসে। শুধু তাই নয়, সিগারেটের কারণে শরীরের অন্দরে যে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, তা সারাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এবার থেকে যখনই সিগারেট খেতে ইচ্ছা করবে এক টুকরো আদা মুখে ফেলে দেবেন। দেখবেন ফল মিলবে।

২. ওটস
ধূমপান ছাড়াতে ওটসের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে ১ চামচ ওটসের সঙ্গে ২ কাপ গরম পানি মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে আরেকবার পানিটা ফুটিয়ে নিয়ে ব্রেকফাস্টের পর পান করতে হবে। এমনটা প্রতিদিন করলে শরীরে উপস্থিত নিকোটিন এবং বাকি সব টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাও কমবে।

৩. পানি
এক্ষেত্রে পানি ব্যাপক উপকারে লাগে। তাই তো সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা জাগলেই পানি পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এমনটা করলে ধূমপানের ইচ্ছা যেমন কমে, তেমনি শরীরে উপস্থিত নিকোটিন বাইরে বেরিয়ে যাবে। ফলে নানাবিধ মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। কমে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও।



৪. গোলমরিচ
এক গ্লাস পানিতে অল্প করে গোলমরিচ মিশিয়ে সেই পানি পান করলে ধূমপানের ইচ্ছা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ফুসফুসও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, পানিতে গুলে যদি গোলমরিচ খেতে ইচ্ছা না করে, তাহলে খাবারে দিয়েও খেতে পারেন। একই উপকার মিলবে।

৫. মুলো
যে যে প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ধূমপান ছাড়াতে দারুন কাজে আসে, তার মধ্যে অন্যতম হল মুলো। একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত মুলোর রসে অল্প করে মধু মিশিয়ে পান করলে স্মোকিং-এর ইচ্ছা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীরও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, দিনে কম করে ২ বার এই পানীয়টি গ্রহণ করতে হবে। তবেই উপকার মিলবে।

৬. আঙুরের রস
এই ফলটিতে উপস্থিত অ্যাসিডিক এলিমেন্ট শরীর থেকে নিকোটিনকে বের করে দেয়। ফলে ধূমপানের ইচ্ছা কমতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। তাই তো যারা ধূমপান ছাড়তে চান, তাদের প্রতিদিন এক গ্লাস করে আঙুরের রস খাওয়ার পরামর্শ দেন ভারতীয় আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা।



৭. মধু
ধূমপান ছাড়ার পর যে যে লক্ষণগুলি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে, তা কমাতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। আসলে মধুতে উপস্থিত নানাবিধ ভিটামিন, এনজাইম এবং প্রোটিন এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Read More »

Sunday, June 25, 2017

কোথা থেকে এল ফ্রেঞ্চফ্রাই? এটি মূলত কোন দেশি খাবার?

এ প্রশ্ন আদৌ কোনো প্রশ্ন কি না, তা নিয়েই হয়তো আপত্তি তুলবেন অনেকে। ফ্রেঞ্চফ্রাই আবার কোন দেশের, অবশ্যই ফ্রান্সের—তাই তো বলবেন অনেকে! তবে নামে ফ্রেঞ্চ হলেও জাতে যদি এই মচমচে খাবারটিকে মোটেও ফরাসি ভাবার ভুলটি করবেন না! স্কুপহুপে জানা গেল, ফ্রেঞ্চফ্রাইয়ের উৎপত্তি বেলজিয়ামে!
এর পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, অনেক আমেরিকান সৈন্য বেলজিয়াম সৈন্যদের মুখ থেকে ফরাসি শুনে দ্বিধান্বিত হয়ে যেত। সে কারণেই তাদের ‘ফ্রাই’ খাবারটির নাম হয়ে গিয়েছিল ফ্রেঞ্চফ্রাই!


আমরা ফ্রেঞ্চফ্রাই আর আলু ভাজা, যাই বলি না কেন—খাবারটি কিন্তু সবারই ভীষণ পছন্দের। আড্ডায় বা একান্ত অবসরে যেকোনো খাবারের সঙ্গে কিংবা আলাদাভাবে এক বাটি ফ্রেঞ্চফ্রাই হলে আর কিছুই তো লাগে না। কাজেই নামে কী বা আর আসে যায়!
মজার বিষয়, ‘ফ্রেঞ্চ’ টাইটেলযুক্ত আরো বেশ কয়েকটি বিষয়-আশয় রয়েছে, যেগুলো প্রকৃতপক্ষে মোটেও ফ্রেঞ্চ নয়! যেমন ‘ফ্রেঞ্চটোস্ট’ হচ্ছে রোমানিয়ার খাবার, ‘ফ্রেঞ্চহর্ন’-এর উৎপত্তি জার্মানিতে, ‘ফ্রেঞ্চবিন’ একেবারেই মেক্সিকান!
Read More »

Tuesday, December 20, 2016

লেক হিলিয়া; গোলাপী পানির রহস্য আজও অজানা

মহান সৃষ্টিকর্তা এ ধরাকে সাজিয়েছেন সুন্দর আর আশ্চর্যজনক বিভিন্ন জিনিসে। বিশাল অরণ্য আমাজন থেকে ম্যানগ্রােভ বন সুন্দরবন সবই তার মহত্ব বর্ণনা করে। হাজারো রকমের সৃষ্টির মাঝে কিছু সৃষ্টি আছে যা বিশ্বকে অবাক করে। বর্ণনা করে স্রষ্টার মহত্ব।

তেমনি বিস্ময়কর জায়গা হলো অস্ট্রেলিয়ার লেক হিলিয়া। বিশাল দ্বীপ জুড়ে সবুজ গাছ আর গাছ। বিশাল এই বনের পাশে সাগরের নীল জলরাশি। কিন্তু এই সবুজ আর নীলের মাঝে রয়েছে বেশ বড় একটি লেক। কিন্তু অতি আশ্চর্যের বিষয় হলো এই লেকের পানি আর দশটা লেকের পানির মত নয়। এর পানি সম্পূর্ণ গোলাপী।



এটির দৈর্ঘ্য ৬০০ মিটার বা ১৮০০ ফুট প্রায় আর চওড়া প্রায় ১০০ মিটার।

বিশাল এই বনের মধ্যে নীল জলরাশির পাশে এই লেকের পানি কেন গোলাপী রঙের তার কোনো যথার্থ ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বিজ্ঞানীরা। তবে কেউ কেউ বলেছেন, এখানে বিপুল সংখ্যায় রয়েছে রেড হাইলোপিলিক নামের এক ধরনের ব্যাকটিরিয়া। মূলত এটি থাকার কারণেই পানি গোলাপি রঙ ধারণ করে।

তবে এটি যে সবচেয়ে সঠিক কারণ তাও নিশ্চিত করে বলা হয়নি। সবুজ বনের ভিতরে গোলাপী পানির এই লেকটি আজও বিস্ময়ের জন্ম দেয়। তবে এর পানি দেখতে গোলাপী রঙের হলেও এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।

Read More »

Monday, November 7, 2016

কেন বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির লাশ চুরি হয়?

বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির শরীর প্রাকৃতিক চুম্বকে পরিনত হয় বলে অনেকের ধারনা। কিন্তু এটা আসলেই ভুল ধারণা৷ আর সে জন্যই আগে বজ্রপাতে ব্যক্তির লাশ প্রায় চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটতো। কিন্তু মানুষ এখন জানে যে এতে তেমন কোনো বিশেষত্ব নেই তাই এখন চুরি হওয়ার প্রবণতা অনেক কমে গেছে৷

তবে এখনও বেশ কিছু ভুল ধারণা মানুষের মাঝে প্রচলিত আছে। এসব কারনে এখনো লাশ চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটে৷ বজ্রপাতে মৃত ব্যাক্তির শরীরের বিশেষ বিশেষ হাড় প্রেত সাধনার কাজে ব্যাবহৃত হয়। যারা এসবে বিশ্বাস করে, তাদের মতে মৃত মানুষের কিছু হাড় দিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় সাধনা করলে অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব। তবে মৃত মানুষের চেয়ে বজ্রপাতে মৃত মানুষের হাড় নাকি এক্ষেত্রে অনেক বেশী কার্যকর।


আসরে মূল কথা হলো, যেখানে বজ্রপাত হয় তার আশে পাশে খনিজ টুকরা পাওয়া যায়। পাহাড়ীরা ঐসব খনিজ টুকরা সংগ্রহ করে রাখে কারণ তাদের বিশ্বাস এই খনিজ পদার্থ ঝাঁড় ফুকে ভালো কাজ দেয়।

ঐ সূত্র ধরে যেসব ব্যাক্তির উপর বজ্র সরাসরি আঘাত হানে খনিজ পর্দাথটি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে সেই শরীরে।, তবে মানুষ হুজুগে এই লাশ চুরি করে আর পরে মাথা চুলকায়।
Read More »